অবৈধভাবে খালের ওপর গড়ে তোলা বেসরকারি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামের (ইউএসটিসি) ১৮ তলা একাডেমিক ভবনের একাংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ভাঙার এই কাজ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবারও ভবনের অবৈধ অংশ ভাঙা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কর্মকর্তারা।

সিডিএ কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে পানি চলাচলে বাধা ইউএসটিসির বহুতল এই ভবন। গয়না ছড়া খালের সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট জমি দখল করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে ১৮ তলা ভবন। বারবার নির্দেশের পরও ভবনের অবৈধ অংশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ না সরানোয় বুধবার ভাঙা শুরু হয়েছে। ভবনটির অবৈধ অংশ ভাঙার সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যারা।

সিডিএর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল আলম  চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’  প্রকল্পের আওতায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

প্রকল্পের পরিচালক সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মঈনুদ্দীন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গয়না ছড়া খালের ওপর ইউএসটিসির ১৮ তলা ভবনের প্রত্যেক ফ্লোরে সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট করে জায়গা অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে। সামনে বর্ষা। ভবনের অবৈধ অংশের কারণে ওই খালের সংস্কারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। যথাযথভাবে প্রকল্পের কাজ করতে আমরা অবৈধভাবে গড়ে তোলা ভবনটির একাংশ ভাঙার কাজ শুরু করেছি। এই কাজ শেষ করতে কয়েক দিন লাগবে।’

রেলওয়ের কাছ থেকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়ে ১৮ বছর আগে ভবনটি নির্মাণের কাজ শুরু করে ইউএসটিসি। ১৩ হাজার বর্গফুটের ভবনটির নকশায় ১৬ তলার অনুমোদন থাকলেও ১৮ তলা পর্যন্ত করা হয়েছে।

 

আমাদের ফেইসবুক Link : ট্রাস্ট নিউজ ২৪

By Desk