চালু হলো দেশের ৯টি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল

9 state-owned jute mills were launched in the country

চালু হলো দেশের ৯টি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল
চালু হলো দেশের ৯টি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল


খাদ্য ও কৃষি বিভাগে চটের বস্তার সঙ্কট নিরসনে খুলনার ৮ ও যশোরের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। খাদ্য ও কৃষি বিভাগে চটের বস্তার সঙ্কট নিরসনে খুলনার ৮ ও যশোরের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। যেসব শ্রমিক মিল কলোনির বাইরে থাকেন বলে কাজে যোগ দিতে পারেননি, তাদের জন্য বিষয়টি সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবে জরুরি রপ্তানিকাজের জন্য করোনাভাইরাসের প্রভাবের মধ্যেও খাদ্য ও কৃষি বিভাগে চটের বস্তার সঙ্কট  নিরসনে রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোর থেকে খুলনার ৮ ও যশোরের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। 

বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) খুলনা জোনাল সমন্বয়কারী বনিজ উদ্দিন মিয়া জানান, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ৯টি মিলের কিছু স্থায়ী শ্রমিক নিয়ে উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এখন থেকে এসব মিলে প্রতিদিন একটি শিফটে ৮ ঘন্টা উৎপাদন চালু রাখবেন। খাদ্য ও কৃষি বিভাগের চটের বস্তার ঘাটতি নিরসনে স্বল্প পরিসরে পাটকল চালু করা হলো। 

বিজেএসসি এর তথ্য অনুযায়ী, এই নয়টি কারখানায় অন্তত ১০ হাজার শ্রমিক স্থায়ীভাবে কাজ করেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মিলগুলো গত ২৬ মার্চ বন্ধ হয়ে যায়।
প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিক নুর ইসলাম বলেন, “বিজেএমসি’র নির্দেশনা পেয়ে ভোরে কাজ শুরু করি। কিন্তু করোনার এই পরিস্থিতির মধ্যে মজুরি বা মিল থেকে কোনধরনের সহযোগিতা পাচ্ছি না। কোনও ধরনের ত্রাণও পাইনি। এভাবে জীবন চালানো কঠিন।” 

প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিক নেতা খলিলুর রহমান বলেন, “এই মিলে ৩ হাজার স্থায়ী শ্রমিক রয়েছেন। এরমধ্যে সাড়ে তিনশ' শ্রমিক রবিবার কাজ করেছেন। শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে কাজে যোগদান করেন।” রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল সিবিএ-নন সিবিএ সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুরাদ হোসেন জানান, করোনাভাইরাসের জন্য মিলগুলো চালু হলেও শ্রমিক কম ছিলো। ফলে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানা সহজ হয়েছে। সকল শ্রমিককে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বেতন পরিশোধ করার আশ্বাস পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।