বন্যার কারনে সুনামগঞ্জে বসেছে নৌকা বিক্রির হাট

সুনামগঞ্জের চারদিকে এখন পানি। বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয় পাহাড়ি ঢল। যার ফলে পাহাড়ি ঢলে পানি সরাসরি এসে পড়ছে হাওরে। ডুবে গেছে অনেক নিম্নাঞ্চল ও রাস্তাঘাট।

বন্যার কারনে সুনামগঞ্জে বসেছে নৌকা বিক্রির হাট
বন্যার কারনে সুনামগঞ্জে বসেছে নৌকা বিক্রির হাট

সুনামগঞ্জের চারদিকে এখন পানি। বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয় পাহাড়ি ঢল। যার ফলে পাহাড়ি ঢলে পানি সরাসরি এসে পড়ছে হাওরে। ডুবে গেছে অনেক নিম্নাঞ্চল ও রাস্তাঘাট। তাই যে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করতো এখন সে রাস্তায় ব্যবহার করতে হচ্ছে নৌকা। এ অবস্থায় নৌকা বিক্রির ধুম পড়েছে। বাড়ি থেকে বাজারে যাতায়াতের জন্যও এখন ব্যবহার করতে হচ্ছে নৌকা। ছয় দিনের টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি শনিবার শহরের ধোপাখালি এলাকা ও মাইজবাড়ি এলাকায় বসে নৌকার বিক্রির হাট। এখানে নৌকা বিক্রির জন্য আসেন অনেক ব্যবসায়ী। নৌকার সঙ্গে রয়েছে বৈঠা। নৌকার দামে রয়েছে ভিন্নতা। ছোট নৌকা বিক্রি হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। বড় নৌকা বিক্রি হয় ৮-১০ হাজার টাকা। বছরের অন্য সময় খারাপ গেলেও বর্ষা মৌসুম আর বন্যায় জমে উঠেছে নৌকার হাট।

স্থানীয় ক্রেতা রবিউল রনি বলেন, সুনামগঞ্জের ধুপাখালি ও মাইজবাড়ি এলাকায় নৌকার হাট বসে। এটা অনেক পুরনো বাজার। বাজার থেকে বাড়িতে যাতায়াতের জন্য নৌকা কিনতে আসলাম। বর্তমানে বাজারে বিক্রি করা ৮ হাজার টাকার নৌকার দাম মূলত ৩ হাজার টাকা ছিল।

নৌকা ব্যবসায়ী মোঃ জাহিদুল বলেন, এখান থেকে নৌকা কিনে যাতায়াত করেন হাওরাঞ্চলের মানুষ। ফসল তোলা, মাছ শিকারসহ নানা কাজে নৌকা ব্যবহার করেন স্থানীয়রা। ছোট নৌকা ২-৪ দিন ও বড় নৌকা ১০-১৫ দিন সময় লাগে বানাতে। সে হিসাবে নৌকার দাম দেয়া হয়। এখানে ৩০০ থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার বৈঠা আছে। নতুন নৌকা যেমন বিক্রি হয় ঠিক তেমন বৈঠাও বিক্রি হয়। এই বৈঠা বিক্রি করে বর্তমানে আমাদের সংসার চলে।