বীরগঞ্জে সাবেক ওসি সাকিলা পারভীনের ষড়যন্ত্র মুলক দেয়া মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলায় বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ আবেদ আলী, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিলন ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও কলামিষ্ট মোঃ মোশাররফ হোসেন সহ ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে মাননীয় আদালত। বীরগঞ্জ থানার সাবেক ওসি সাকিলা পারভীনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, সেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং সংবাদপত্রে সংবাদ প্রেরন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে পুঁজি করে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাতখামার গ্রামের মৃত-হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আব্দুল মজিদকে বাড়ী থেকে থানায় ডেকে এনে মামলায় জড়িয়ে হেনস্থা করার ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজী মামলা সাজিয়ে ঘটনার তারিখ-২৬ জুন/২০১৮ইং দেখিয়ে ৩১ জুলাই/২০১৮ইং মামলা দায়ের করা হয়।

দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে মোঃ আবেদ আলী, নাজমুল ইসলাম মিলন ও মোঃ মোশাররফ হোসেনসহ ৩জন সাংবাদিক মাননীয় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-২ ও মাননীয় জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম আদালতে স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন এবং সন্ধিয়াতিত ভাবে ঘটনা প্রমানিত না হওয়ায় ২৮ অক্টোবর বিকেলে ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবি ছিলেন এ্যাডঃ মোঃ মেহেরেুল ইসলাম (সরকারী পিপি) এবং সাংবাদিক পক্ষে মামলা পচিালনা করেন এ্যাডভোকেট মোঃ হামিদুল ইসলাম (সাবেক পিপি) তাকে সহযোগিতা করেন এ্যাডঃ একেএম গোলাম মূর্তজা মুকুল ও এ্যাডঃ আইরিন পারভীন। সেচ্ছাশ্রমে নিয়োজিত সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে মহান পেশার সাংবাদিককে হয়রানী করার জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও পেশজীবি সংগঠনের কর্মকর্তাগণ নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।