মিয়ানমারে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ। সেনাবাহিনীর নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশি বাধা সত্ত্বেও দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। বুধবারও সকাল গড়াতেই জান্তা শাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ মানুষ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আন্দোলনে যোগ দেন সকলেই।

মিয়ানমার

মিয়ানমারের জান্তা সরকার পাঁচ জনের বেশি মানুষ জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তা উপেক্ষা করে ইয়াঙ্গুন, নেইপিদো, ম্যান্দালের পাশাপাশি অন্যান্য বড় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। অবিলম্বে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। একইসঙ্গে গণন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সূ চির মুক্তি দাবি করেন তারা।

তবে বিক্ষোভকারীদের দমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে মিয়ানমার পুলিশ। বুধবার দেশটির বিভিন্ন শহরের প্রধান রাস্তাগুলো বন্ধ করে সশস্ত্র অবস্থান নেয় নিরাপত্তাবাহিনী।

এদিকে, কূটনৈতিকভাবে মিয়ানমারের সঙ্কট সমাধানের চেষ্টা করছে ইন্দোনেশিয়াসহ আসিয়ানের দেশগুলো। মিয়ানমার নিয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে এই মুহূর্তে তার মিয়ানমার সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে, জি সেভেনের নেতারাও মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

আমাদের ফেইসবুক Link : ট্রাস্টনিউজ২৪