কিডনি রোগে আক্রান্ত হতদরিদ্র বদরুজ্জামান বাঁচতে চায়

সুন্দর এই পৃথিবীতে আগের মতো স্বাভাবিক জীবন নিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন মো. বদরুজ্জামান (৩৬)। দয়া করে আমাকে এবং আমার সন্তান দু’টিকে বাঁচান। মানবতার এই জগৎ থেকে বিনা চিকিৎসায় বিদায় নিতে চান না তিনি। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না’। এমনিই এক আকুতি জানিয়েছেন চিরিরবন্দর উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পাইকারপাড়ার মৃত খমির আলীর ছেলে মো. বদরুজ্জামান। সহায়-সম্বলহীন বদরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য কিডনী রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।

কিডনি রোগে আক্রান্ত হতদরিদ্র বদরুজ্জামান বাঁচতে চায়
কিডনি রোগে আক্রান্ত হতদরিদ্র বদরুজ্জামান বাঁচতে চায়

মোরশেদ-উল-আলম,চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: সুন্দর এই পৃথিবীতে আগের মতো স্বাভাবিক জীবন নিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন মো. বদরুজ্জামান (৩৬)। দয়া করে আমাকে এবং আমার সন্তান দু’টিকে বাঁচান। মানবতার এই জগৎ থেকে বিনা চিকিৎসায় বিদায় নিতে চান না তিনি। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না’। এমনিই এক আকুতি জানিয়েছেন চিরিরবন্দর উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পাইকারপাড়ার মৃত খমির আলীর ছেলে মো. বদরুজ্জামান। সহায়-সম্বলহীন বদরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য কিডনী রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। 

বর্তমানে তিনি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার জীবন সংকটাপন্ন। চিকিৎসকের রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁর দু’টো কিডনীই বিকল। তাকে সপ্তাহে কমপক্ষে ৩দিন কিডনী ডায়ালাইসিস (হেমো ডায়ালাইসিস) করতে হয়। এক বার ডায়ালাইসিস (হেমো ডায়ালাইসিস) করতে সরকারিভাবে প্রতিটি প্যাকেজ দৈনিক ২৫০০ টাকা খরচ হয়। 

চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত শেষ সম্বল জমাজমি বিক্রি করে এখন নিঃস্ব। কিডনীর এই ব্যয় বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তিনি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীদের সাহায্য-সহযোগিতায় এতদিন চিকিৎসা চলছিল। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন তাকে ডায়ালাইসিস করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সে মতে প্রতি সপ্তাহে তার চিকিৎসা ও ওষুধ বাবদ ৭ হাজার ৫০০ টাকার প্রয়োজন হয়। তাই দিনমজুর বদরুজ্জামানের পক্ষে এ অর্থ যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তার সুচিকিৎসার জন্য আরো অনেক টাকার প্রয়োজন।

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য মো. ফজলুর রহমান বলেন, সকলের আর্থিক সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে অসহায় বদরুজ্জামান।

বদরুজ্জামান জানান, সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিই তিনি। বর্তমানে বিপুল অর্থ ব্যয়ে ডায়ালাইসিস করা ও ওষুধ ক্রয় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি আরো জানান, কিডনী প্রতিস্থাপন করতে অন্তত ১৬-২০ লাখ টাকা প্রয়োজন। 

বদরুজ্জামানের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। মানবিক কারণে চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহায়তা চেয়ে সমাজের সকল হৃদয়বান, বিত্তশালী, দানশীল ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানের নিকট সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন হতদরিদ্র পরিবারটি। আপনাদের মহানুভবতার কারণে বেঁচে যেতে পারে একটি জীবন-একটি পরিবার। পিতার সাহচার্যে সুন্দর জীবন পেতে পারে বদরুজ্জামানের শিশুপুত্র মোস্তাকিম হোসেন ও মেয়ে লিমা আকতার। সাহায্য পাঠানোর বিকাশ ও যোগাযোগের মোবাইল নং ০১৭১৭-১১০৪৬১।