মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা মিলে একযোগে অতিমুনাফা করার জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও দেশে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। গত বোরো মৌসুমেও ধানের অত্যন্ত ভাল উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু কয়েক দফার দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে আমন ধান উৎপাদন কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। এসব কারণে আমরা লক্ষ্য করছি, মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা মিলে অতিমুনাফা করার জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সরকার এদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে খুব সতর্ক ও কঠোর অবস্থানে আছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে আহম্মদ আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ‘বন্যা প্রবণ ও নদী ভাঙন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের’ আওতায় এই আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময়ই কৃষিবান্ধব ও কৃষকদরদী। তার নেতৃত্বে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ, সার, বীজ, সেচসহ কৃষি উপকরণে ভর্তুকি প্রদান এবং ফসলের উন্নতজাত উদ্ভাবন ও চাষের ফলে দেশে খাদ্য উৎপাদনে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এই দুর্যোগেও এখন পর্যন্ত দেশে খাদ্যের কোন সংকট হয়নি। সামনের দিনগুলোতেও যে কোন পরিস্থিতিতে কোন ক্রমেই যাতে মানুষের খাদ্য সংকট না হয় সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের কোন মানুষকে যাতে না খেয়ে কষ্ট করতে না হয় সেটার নিশ্চয়তা দেয়া। সে জন্য, প্রয়োজন হলে অল্প পরিমাণ চাল বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে। এ সময় মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফা জহুরা, পৌরসভার মেয়র মোঃ মাসুদ পারভেজসহ উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।