দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার রামকলা বাজারে অবস্থিত নির্ঝরা ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর অটো রাইস মিলে আদালতের নির্দেশেও মেলেনি বিদ্যূৎ সংযোগ। এতে অটো রাইস মিলে ড্রয়ারে থাকা প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ধান নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আদালতের আদেশ সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ এর জন্য বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় দিনাজপুর পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন রাণীরবন্দর জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ অটো রাইস মিলের ড্রয়ারে ধান থাকা অবস্থায় বিদ্যূৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এতে ড্রয়ারে থাকা ধান গুলো নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। ধান গুলো যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য গত ১৮ অক্টোবর বিজ্ঞ খানসামা জজ আদালত দিনাজপুরের সহকারী জজ হাসিবুজ্জামান চলতি বিলের সাথে বকেয়া বিদ্যূৎ বিল আগামী এক বছরের মধ্যে পরিশোধ এবং গত ১৯ অক্টোবর ৫ লক্ষ টাকা জমা নিয়ে বিদ্যূৎ সংযোগ প্রদানের জন্য রাণীরবন্দর জোনাল অফিসের ডিজিএমকে নির্দেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে নির্ঝরা ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর অটো রাইস মিলের স্বতাধিকারী মাসুদুজ্জামান সরকার জানান, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বিদ্যূৎ বিল বকেয়া ছিলো। এমতাবস্থায় মিলের ড্রয়ারে ধান থাকা অবস্থায় পল্লী বিদ্যূৎ এর লোকজন কয়েকদিন আগে বিদ্যূৎ-এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে আদালতের দ্বারস্থ হই। আদালত ক্ষতির সম্ভবনা থেকে রক্ষা পেতে পুনরায় সংযোগের জন্য রাণীরবন্দর জোনাল অফিসের ডিজিএমকে নির্দেশনা দিয়ে আদেশ দেন। কিন্তু তিনি আদালতের এ আদেশ অমান্য করে বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৫ লক্ষ টাকা নেননি এবং সংযোগ প্রদানে বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করেন। এ বিষয়ে ডিজিএম মিজানুর রহমান মিজান বলেন, নোটিশ করার পরও বিদ্যূৎ বিল পরিশোধ না করায় নির্ঝরা ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর অটো রাইস মিলে বিদ্যূৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পুনরায় বিদ্যূৎ সংযোগ প্রদানের জন্য আদালত যে আদেশ দিয়েছেন সেটি দেখে আইনজীবি দিয়ে আপিল করা হবে।