নিষিদ্ধ হলো গ্যাস্ট্রিক এর বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিন

ডেক্স নিউজ- বুক জ্বালা-পোড়া বা গ্যাস্ট্রিক এর বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিন। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই ওষুধের সঙ্গে ক্যান্সারের সম্পর্ক আছে, এমন আশংকায় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই ওষুধ বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ হলো গ্যাস্ট্রিক এর বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিন
নিষিদ্ধ হলো গ্যাস্ট্রিক এর বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিন

ডেক্স নিউজ- বুক জ্বালা-পোড়া বা গ্যাস্ট্রিক এর বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিন। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই ওষুধের সঙ্গে ক্যান্সারের সম্পর্ক আছে, এমন আশংকায় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই ওষুধ বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে।

দেশের বাজারেও এই ওষুধের কাচামাল আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গতকাল রোববার রাজধানীর মহাখালীতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান রেনিটিডিনের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা ওষুধ শিল্প সমিতির সঙ্গে আলোচনা করেছি। এটা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য হুমকিস্বরূপ। সবাই একমত হয়ে রেনিটিডিন ওষুধের কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এফডিএ এবং ইউরোপের ‘ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি (ইএমএ) গত ১৩ই সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল, রেনিটিডিন ঔষধটিতে ‘এন-নাইট্রোসোডিমিথাইলামিনের (এনডিএমএ) উপস্থিতি পরীক্ষা করে দেখছে তারা ।

এনডিএমএ নামের এই উপাদানটি মানুষের দেহে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সন্দেহ করা হয়। এই উপাদানটি প্রাণীর ওপর পরীক্ষা করে এরকম একটা ধারণায় উপনীত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে খুবই স্বল্পমাত্রায় এনডিএম মানুষের শরীরে সেরকম কোন সমস্যা তৈরি করে না।

এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থকেই অনেক দেশে এ ওষুধের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সিভিএস, ওয়ালমার্ট, ওয়ালগ্রিনস এবং রাইট এইডের মতো কোম্পানি রেনিটিডিন বিক্রি বন্ধ করে দেয়। ক্যানাডা এবং ফ্রান্সে ফার্মেসির তাক থেকে এগুলো তুলে নেয়া হয়েছে। এছাড়া স্যান্ডোজ, যেটির আসল মালিক নোভারটিস, তারাও কয়েকটি ব্যাচের রেনিটিডিন বাজার থেকে প্রত্যাহার করেছে।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্যানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তুলে নেয়া হচ্ছে বা তুলে নেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে এই ঔষধটির মধ্যে সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।